উহফ, এইবার গেট টুগেদারে এমন কিছু হবে যা আমি কখনো কল্পনাও করতে পারি নাই! দুই কাজিনকে একসাথে করার বাংলা চটি গল্প। আয়শা, আমার সেক্সি কাজিন, যাকে আমি ছোটবেলা থেকেই আমি ভীষন ভালবাসি। কখনো তাকে নিয়ে আমার মনের ভিতর খারাপ কোন বাসনা ছিল না। কিন্ত কখনো তাকে বলা হইনি। চটি গল্প
যাই হোক সেদিন পরিবারের সবাই বসার রুমে ব্যস্ত, আমি আর আয়শা ছাদে গিয়ে গল্প করছিলাম! ও আজকে একটা পাতলা নাইটি পরে এসেছে, ভিতরে শুধু ব্রা আর প্যান্টি! ওর বুবস গুলো ব্রার ভিতর দিয়ে টাইট হয়ে বের হয়ে আসছে, মনে হল আমাকে দেখাতেই এভাবে সামনে এইছে সে!
ও আমার খুব ক্লোজ বন্ধু বলা যায়, সব কথাই আমার সাথে শেয়ার করে, সেভাবেই আজকে বললো, জানো ভাইয়া, আমার এক বান্ধবীর বয়ফ্রেন্ড আজ ওকে চুমু খেয়েছে! কেমন লাগে এটা?”
আমি একটু হেসে বললাম, “তুই জানতে চাস? ট্রাই করতে চাস?”
ও লজ্জায় একটু হেসে বললো, “অবশ্যই চাই, দেখে এত মজা লাগছে ফিল নিতে তো আরো বেশি মজা লাগবে তাই না!”
শালার এক মুহূর্তও দেরি করলাম না! আয়শার নরম ঠোঁট দুই হাতে ধরে মুখে নিয়ে একদম কামড়ে চুষতে লাগলাম! ও প্রথমে অবাক হলেও ধীরে ধীরে সায় দিয়ে দিল! আমি ওর কোমর জড়িয়ে আরও টানলাম, ওর বুবস দুটো আমার বুকে চেপে গেলো!
ওর শরীর একদম গরম হয়ে গেছে, আমি বুঝতে পারছি! হাত নামিয়ে ওর পাতলা নাইটির উপর দিয়ে সোনায় আস্তে আস্তে হাত বোলাতে লাগলাম! “উমমম… ভাইয়া… প্লিজ…” আয়শার কামরসে একদম ভিজে গেছে!
আমি আর দেরি করলাম না, নাইটির নিচে হাত ঢুকিয়ে সরাসরি ওর প্যান্টির উপর দিয়ে সোনায় টিপ দিতে লাগলাম! ওর শ্বাস-প্রশ্বাস বেড়ে গেলো, আমিও আর থামলাম না! ওর ব্রার হুক খুলে দিলাম, সাথে সাথেই বুবস বেরিয়ে এলো!
“আয়শা, তোর বুক কেমন সেক্সি রে! আমি খাব হম!”
হম ভাইয়া খাও।… মন ভরে খাও আমার অনেক ভাল লাগছে..
আমি এক হাতে ওর কোমর ধরে আরেক হাতে ওর মাই টিপতে লাগলাম!
আয়শা কামনায় পাগল হয়ে গেছে! ওর মুখে অদ্ভুত একটা আরাম আর লজ্জা মিশিয়ে শীৎকার বেরিয়ে আসছে, “উমমম… ভাইয়া… প্লিজ… জোরে জোলে টিপো মজা পাচ্ছি”
আমি আর দেরি না করে ওর নাইটির ফিতা খুলে ফেললাম! ব্রা তো আগেই খুলে গেছিল, এবার ওর ফর্সা কামুক শরীর একদম উলঙ্গ হয়ে গেলো! আয়শা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললো, “এখানেই করবা ভাইয়া”
বললাম হম, তখন আয়েশা বলল ১মিনিট। এটা বলেই আয়েশা ছাদে আসার দরজা টা বন্ধ করে দিল।
তারপর এসেই আমাকে জরিয়ে ধরল! ওর মাই চেপে ধরে মুখে পুরে নিলাম! চুষতে লাগলাম! আয়শা আরামে মোচড়াচ্ছে! আমি ওর পাছা ধরে নিজের বাড়ার সাথে ঘষতে লাগলাম, প্যান্টি ভিজে একদম স্যাঁপসেঁপে হয়ে গেছে!
“আয়শা, তোর গুদে আমার বাড়া ঢোকাবো, কিন্ত!” বলল- যা ইচ্ছে কর আমার সমস্যা নাই। আমি ওর প্যান্টি নামিয়ে দিলাম! আয়শার গুদ একদম ভিজে গরম হয়ে আছে! শালা, এমন ফর্সা আর পিচ্ছিল গুদ আগে দেখিনি!
আয়শা কামনার আগুনে পুড়ে যাচ্ছে, শীৎকার দিয়ে বললো, “ভাইয়া, আমায় আর কষ্ট দিও না, ঢুকিয়ে দাও!”
আমি আয়শার গুদে আমার বাড়ার খোঁচা দিতে যাচ্ছি, এমন সময় হঠাৎ ছাদের দরজার একটা আওয়াজ পেলাম!
“কেউ আসছে!” আয়শা ভয় পেয়ে আমার বুকে লেপ্টে গেলো, ওর দুধ দুইটা আমার গায়ে চেপে আছে! আমার মাথায় একসেকেন্ডে হাজারো চিন্তা দৌড় দিলো! কেউ দেখে ফেললে কী হবে?
আমি তাড়াতাড়ি ওর নাইটি টেনে ওর গায়ে পরিয়ে দিলাম, কিন্তু শালা ব্রা আর প্যান্টিটা ছাদেই পড়ে রইলো!
দরজাটা আস্তে আস্তে খুলতেই দেখি আমার মামাতো বোন ইসরাত দাঁড়িয়ে আছে!
“এই কী করছিলা তোমরা?” ইসরাত একদম থমথমে মুখে জিজ্ঞেস করলো! আয়শার মুখ একদম লাল হয়ে গেছে, আমি কিছু বলার আগেই ইসরাতর চোখ ছাদে পড়ে থাকা ব্রা-প্যান্টির দিকে চলে গেলো!
ইসরাত আমাদের দিকে তাকিয়ে রহস্যময় হাসি দিলো! “ওহহো! মজা করছিলা তাই না?”
আমি আর আয়শা একদম জমে গেলাম! ইসরাত আস্তে আস্তে দরজাটা বন্ধ করলো আর আমাদের দিকে এগিয়ে এলো!
“তোমরা এভাবে গোপনে মজা করছো? আমাকে বললে না?” ইসরাত ঠোঁট কামড়ে বললো! ওর চোখে একদম শয়তানি ঝিলিক!
আয়শা একদম চুপ, মুখ নিচু করে আছে! আমি তো মাথা ঘুরে গেলো!
ইসরাত ধীরে ধীরে আমার দিকে তাকালো, তারপর ওর হাত আমার বুকের ওপর রাখলো! “আমারও কিন্তু কিছুটা এক্সাইটমেন্ট হচ্ছে, তুমিও কি তাই অনুভব করছো?”
আমি ইসরাতর শরীরের উষ্ণতা টের পেলাম! আয়শার সামনে কীভাবে সামলাবো বুঝতে পারছিলাম না!
আয়শা কিছুক্ষণ তাকিয়ে ছিলো, চোখে একরাশ কনফিউশন, কিন্তু ভেতরে যেন কিছু ফুটছিলো! হঠাৎ করে ও ইসরাতর হাতটা ধরে বললো, “ইসরাত, তুই সত্যি বলছিস আমাদের সাথে মজা নিতে চাস?!”
ইসরাত ঠোঁট কামড়ে একটু হাসলো, চোখে সেই নটি ঝলক! “তোরা চাইলে তো একসাথে মজা নিতে পারি, কী বলিস?”
আমি আর আয়শা থম মেরে গেছি! আয়শা আমার হাত চেপে ধরলো, যেন বুঝতেই পারছিলো না কী করবে! আমি ইসরাতর চোখে তাকালাম, সেখানে কামনার দাবানল জ্বলছিলো!
ইসরাত ধীরে ধীরে আমার শার্টের বোতাম খুলতে লাগলো, মুখে সেই শয়তানি হাসি! “এই গরমে এত কাপড় পরে থাকবি? একটু হালকা হওয়া দরকার!” আয়শা চমকে দেখছিলো!
আমি পুরো জোশে! ইসরাত শার্ট খুলে ফেললো, ঠান্ডা আঙুলগুলো আমার গরম শরীরে বুলাতে লাগলো! আয়শা গলা কাঁপিয়ে বললো, “ইসরাত! এটা ঠিক হচ্ছে?!”
ইসরাত হাসলো, “আরে, মজা নিচ্ছি সবাই! তোরও ভালো লাগবে!” বলেই নাইটির দড়িটা আলগা করলো, ধীরে ধীরে, যেন আমাকে পাগল করে দেবে!
আয়শার মুখ একদম টকটকে লাল! ওর নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে! আমি কিছু বুঝতে পারছি না! ইসরাত নাইটি খুলে ফেললো, শুধু ব্রা আর প্যান্টি! ওর চকচকে ফর্সা শরীর দেখে আমার মাথা ঘুরছিলো!
ইসরাত এবার আমার কানের কাছে এসে কামুক গলায় বললো, “এতো ভাবছিস কেন ভাইয়া? আয়শার সাথে তো এত্ত খন ঠিকই করছিলি। ”
আমি স্তব্ধ! আয়শা ইসরাতর দিকে তাকিয়ে বললো, “ইসরাত! তুই এসব কী বলছিস?!”
ইসরাত হেসে বললো, “আরে, আমরা তো কাছের মানুষ! একটু বেশি কাছাকাছি আসলে ক্ষতি কী?”
আয়শা লজ্জায় গরম হয়ে উঠলো! আমি আস্তে করে ওর কোমরটা ধরে বললাম, “আয়শা, তাহলে চল তিনজনই করি!” কিন্তু আয়শা কিছু বললো না, শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে থাকলো, শরীর কাঁপছিলো!
ইসরাত এবার আমার হাত ধরে নিজের দুদের উপর চেপে ধরলো! “দেখ, কত নরম! ভালো করে টের পা!” আয়শারও তখন উত্তেজনা হচ্ছিল! কিন্ত অন্য একটা মেয়ের সামনে করবে কিনা তাই ভাবছিল!
আমি ধীরে ধীরে আয়শার দিকে তাকালাম, ওর মুখে এক ধরনের দ্বিধা! আমি ওর হাতটা ধরে টেনে কাছে আনলাম! আয়শা ধপ করে আমার বুকে মুখ লুকিয়ে ফেললো, ওর গরম নিঃশ্বাস আমার গায়ে লাগছিলো!
ইসরাত তখন আয়শার পেছনে গিয়ে ওর কোমর ধরে ফিসফিস করে বললো, “এত্ত ভাবছিস কি, আমি কি বাঘ না ভাল্লুক!”
তাদের উলংগ শরীরের উত্তাপে বাতাস যেন ফুঁসে উঠেছে! ইসরাত একদম সামনে এসে আয়শার শরীরে হাত বোলাচ্ছে, ওর ঠোঁট কামড়ে দিচ্ছে! “উফফ, এত নরম কেন তুই?” ইসরাতর কণ্ঠে নিখাদ পাগলামি!
আয়শা কাঁপছে, কিন্তু ওর চোখে অদ্ভুত এক আকাঙ্ক্ষা! আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে, আর নিজের মধ্যে বাঁধ ভাঙার অপেক্ষায়! আয়শা এবার আমার দিকে তাকালো, ওর চোখে শুধু কাম!
ইসরাত এবার হেসে বললো, “আরে ভাইয়া, এভাবে তাকিয়ে থাকবি নাকি কাজে নামবি?”
আমি আর দেরি না করে এক ঝটকায় আয়শাকে জড়িয়ে ধরলাম, ওর বুকের মাঝে মুখ গুঁজে দিলাম! “উফফ, তোর গরম গরম শরীর…!” আয়শার শরীর থেকে যেন আগুন বেরোচ্ছে!
ইসরাত তখন আমার পেছন থেকে এসে পিঠে নখ বসিয়ে দিলো, “তুই কি শুধু আয়শাকেই নেবি, নাকি আমাকেও ভাগ দিবি?”
আমি আর কিছু বুঝতে পারলাম না! শুধু জানি, আজ রাতটা হবে পাগলামির চরম সীমা! খোলা আকাশের নিচে পুরো পরিবেশটাই যেন আরও বেশি গরম হয়ে উঠলো! আয়শাকে আমি এক ঝটকায় নিচু করলাম, ওর কোমর চেপে ধরলাম!
ইসরাত পাশে দাঁড়িয়ে হাসছে, “ডগি পজিসন ট্রাই করবি না? এখানে একদম পারফেক্ট লাগবে!”
আমি দেরি করলাম না! আয়শার কোমর ধরে সামনে ঠেলে দিলাম, ও দুই হাতে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে! আমি পিছন থেকে ওর গরম শরীরের ভেতরে ঢুকে গেলাম! “উফফফ…!” ওর গুদ এতটাই ভিজে ছিল যে আমি ধন সেট করতেই ওর মুখ দিয়ে শীৎকার বের হয়ে গেল!
“ওফফফফ… এত বড়…” আয়শার চোখ বড় হয়ে গেল, ঠোঁট কামড়ে ধরল!
“উমমম… ভাইয়া… প্লিজ…” ইসরাত আমার কাঁধ আঁকড়ে ধরল, ওর শরীর কাঁপছে!
আমি আর দেরি করলাম না, এক ধাক্কায় ধন পুরোপুরি ঢুকিয়ে দিলাম!
“ওহহহহহ… উফফফফফ…!” আয়শা শরীর বাঁকিয়ে ফেলল, ওর নখ আমার পিঠে বসিয়ে দিল!
আমি ফুল পাওয়ারে ঠাপ মারতে লাগলাম! ইসরাত পাশে বসে একহাতে নিজের দুধ টিপছে, আরেকহাতে আমার হাত ধরে রেখেছে!
“উফফফফ… ভাইয়া… উমমমম…!” ইসরাত আমার ঠোঁটের মধ্যে ঠোঁট বসিয়ে দিল!
আমি আয়শাকে চুদতে চুদতে ইসরাতর ঠোঁট কামড়ে ধরলাম, ইসরাত আমার শরীরের সাথে আরো জড়িয়ে গেল!
আয়শার মুখ দিয়ে চাপা গোঙানি বের হচ্ছে, ইসরাত আমার ধন নিজের গুদের মুখে সেট করে দিচ্ছে!
“ভাইয়া… এবার আমিও চাই!”
আমি এবার ইসরাতকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম, ওর কোমর উঁচু করে ধন সেট করলাম! আয়শা আমার পিঠে হাত বুলিয়ে হেসে বলল, “ভাইয়া, এবার ওর গুদ ফাটিয়ে দে!”
আমি এক ধাক্কায় ইসরাতর ভিতরে ঢুকে গেলাম!
“ওহহহহহ… উফফফফফফফ…!” ইসরাতর চোখ বড় হয়ে গেল, ওর মুখ দিয়ে তীব্র শ্বাস বেরিয়ে গেল!
আমি একের পর এক ঠাপ দিতে লাগলাম, ইসরাত একদম কেঁপে উঠছে, ওর হাত আয়শার দুধ ধরে ফেলেছে!
“উফফফফ… এত বড়… এত জোরে… আমি পারছি না!” ইসরাত চিৎকার করছে, ওর শরীর কাঁপছে!
আয়শা আমার ধন টিপে ধরে বলল, “এবার দুজনের মুখে একসাথে ঢাল!”
আমি আর পারলাম না, ফুল গতি তুলে দিলাম! ইসরাত আর আয়শা একসাথে চিৎকার করছে!
“উফফফফফফফ… ভাইয়া…!”
আমি শেষ মুহূর্তে ধন বের করে ইসরাত আর আয়শার মুখের সামনে ধরে দিলাম… দুজনেই চোখ বন্ধ করে আছে, দুজনের মুখের ওপরই গরম মাল ফিনিশ…!
“উমমমম…!” ইসরাত নিজের ঠোঁট দিয়ে মাল চাটল, আয়শা হাসল, আর আমার ধন নিজের দুধের মাঝে চেপে ধরল!
“আর পারছি না ভাইয়া… উফফফফ…!” ইসরাত কাঁপছে, ওর হাত আমার ধন ধরে আছে!
“তোর গুদ পুরো ভিজে আছে ইসরাত!” আমি ওর গুদের ওপরে আঙুল ঘষে দিলাম!
“ওহহহ… ভাইয়া… উমমম…!” ইসরাত আমার গায়ে লেপ্টে গেল, ওর দুধ কেঁপে উঠছে!
আয়শা পাগলের মতো ওর দুধ দিয়ে আমার ধন মুছতে লাগল, একবার চুষছে, একবার পিষছে!
“আর পারছি না… ঢুকিয়ে দে!” আয়শা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, ওর গুদ ফোঁস ফোঁস করছে!
আমি এক টানে ওকে বিছানায় ফেলে দিলাম, আয়শার পা দুইদিকে ফাঁক করে দিলাম, গুদের মুখ একদম লাল হয়ে আছে!
“ওহহহ… ঢুকাচ্ছিস? উফফফ…!” আয়শার ঠোঁট কামড়ে ধরলাম, ধন গুদের মুখে সেট করলাম!
“এবার পুরাটা নিবি!” আমি এক ধাক্কায় পুরাটা গুঁজে দিলাম!
“ওহহহহ… উফফফফফফ…!” আয়শা চোখ বন্ধ করে চিৎকার দিল!
ইসরাত পাশ থেকে কেঁপে উঠল, ও নিজের গুদের ওপর হাত বুলিয়ে বলল, “আমিও চাই…!”
“তুই শুইস না!” আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম, আর আয়শার গুদে ঠাপ মারতে লাগলাম!
“ওহহহহ… ভাইয়া… আরও জোরে… উফফফফ…!” আয়শার দুধ কাঁপছে, গুদের রস আমার ধন ভাসিয়ে দিচ্ছে!
ইসরাত আমার হাত ধরে বলল, “ভাইয়া… এবার আমাকেও দে!”
“তুইও নিবি? এই নে!” আমি আয়শার গুদ থেকে ধন বের করে ইসরাতর মুখে ঢুকিয়ে দিলাম!
“উমমমম… উফফফফ…!” ইসরাত গিলছে, কামড়ে ধরছে, আর আমি ওর মাথা চেপে ধরেছি!
আয়শা আমার পিঠে নখ বসিয়ে বলল, “ভাইয়া, আবার ঢুকা!”
“আচ্ছা এই নে!” আমি ধন ইসরাতর মুখ থেকে বের করে আয়শার গুদে গুঁজে দিলাম, আর ইসরাতর গুদে আমার আঙুল চালিয়ে দিলাম!
“ওহহহহ… ভাইয়া… উফফফফ…!” ইসরাত কেঁপে উঠছে, আয়শা চিৎকার দিচ্ছে!
আমি জানি, শেষ মুহূর্ত চলে এসেছে!
“ভাইয়া, মাল ঢাল! উফফফফ…!” আয়শা চিৎকার করল!
“আমার গুদের ভেতর ঢাল! উফফফফ…!” ইসরাত আমার গলা আঁকড়ে ধরল!
আমি আর পারলাম না!
“ওহহহহহ… উফফফফফফফফ…!” আমি এক ধাক্কায় মাল ঢেলে দিলাম, আয়শার গুদে, ইসরাতর দুধের ওপর, ওদের মুখের চারপাশে!
দুইজনেই থরথর করছে, ওদের শরীর একদম ভিজে গেছে!
“ভাইয়া… উফফফ… তুই আমাদের শেষ করে দিলি!” ইসরাত আমার বুকে মুখ লুকিয়ে নিল, আয়শা ওর হাত আমার গলায় পেঁচিয়ে দিল!
“আজকের রাতটা মনে থাকবে…” আয়শা হাসল, ইসরাত মুচকি হাসল, আর আমি দুইজনকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিলাম! এই রাতের সুখ কখনো ভুলব না…!
আমিও লিখতে চাই